দ. আফ্রিকাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রতিশোধ নিল বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়েতে ত্রিদেশীয় সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েই শুভ সূচনা করেছিল বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল। তবে, দুই দলের দ্বিতীয় দেখায় এসে প্রোটিয়াদের সঙ্গে হার দেখেছিল আজিজুল হাকিম তামিমের দল। তৃতীয় ম্যাচে এসে সেই হারের প্রতিশোধ কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নিল বাংলাদেশ। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বড় জয় তুলে নিয়েছে যুব টাইগাররা।
আজ বুধবার (৬ আগস্ট) প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩৭.২ ওভারে ১৪৭ রানেই গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা অনুর্ধ্ব-১৯। রান তাড়ায় নেমে ২৯.৩ ওভারে ৫ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল। ৫ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মাত্র ১২ রানেই ভাঙ্গে উদ্বোধনী জুটি। প্রথম দুই ম্যাচে রান করা জাওয়াদ আবরার ফেরেন ৯ বলে ৩ রানে। দায়িত্ব নিতে পারেননি অধিনাক আজিজুল হাকিম তামিমও। ১৭ বলে ৭ রান করে ফেরেন তিনি। ব্যর্থ হয়েছেন রিজান হাসানও (৮ বলে ১)। ১৩ বলে ৬ রান করে কালাম সিদ্দিকীও ধরেছেন একই পথ।
বাকিদের এই যাওয়া-আসার ভীরে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করে যাচ্ছিলেন আরেক ওপেনার রিফাত বেগ। হাফসেঞ্চুরির আশা দেখিয়ে ফিরেছেন তিনি। ৪৬ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে রানের চাঁকা সচল রেখেছিলেন তিনি।
রিফাত বিদায় নিলে দলের হাল ধরেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আর সামিউন বাশির রাতুল। আগের দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে রান না পাওয়া এই দুই ব্যাটার দলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জ্বলে ওঠেন। বাকিদের মন্থর ব্যাটিংয়ের বিপরীতে আগ্রাসী ব্যাটিং করেন রাতুল। তুলে নেন হাফসেঞ্চুরিও।
পঞ্চম উইকেটে ৭৯ রানের জুটি গড়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করেন এই দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার। ৪৭ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন আবদুল্লাহ আর ৩৬ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন রাতুল।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার টপঅর্ডাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় তারা। মাত্র ৪৫ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে অল্প রানেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে প্রোটিয়ারা।
তবে প্রতিরোধ গড়ে তুলে মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। পল জেমসের ৩৩ রানের পরে ভিহান প্রেটোরিয়াস খেলেন ১৮ রানের ইনিংস। ৮ নম্বরে নামা ব্যান্ডিলে এমবাথার ৩৯ রানের ইনিংসে ভর করে দেড়শ ছুঁইছুঁই রানের পুঁজি দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এমবাথার ৩৯ রানই ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
৮ ওভারে ৩৯ রান নিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন স্পিনার সানজিদ মজুমদার। ২টি করে উইকেট নেন আল ফাহাদ আর রাতুল। আর একটি করে উইকেট গেছে ইমন আর রিজানের ঝুঁলিতে।