মুস্তাফিজকে খেলাটাই শ্রীলঙ্কার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের বিপক্ষে এখনো কোনো টেস্ট ম্যাচে হারেনি শ্রীলঙ্কা। ১৬ টেস্টে মুখোমুখি হয়ে ১৪ বারই হেরেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে সাতবারই ইনিংস ব্যবধ্যানে হেরেছে টাইগাররা। দুটি টেস্ট ড্র করলেও বাকি টেস্ট ম্যাচগুলোতেও নাকাল হয়েছে বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবচেয়ে কম ব্যবধানে হারটা ২০০৮ সালে, সেটিও ১০৭ রানের। তবে পরিসংখ্যান যেটাই বলুক না কেন, বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম মনে করছেন, এবার শ্রীলঙ্কাকে হারাতে সক্ষম বাংলাদেশ। আর এ জন্য মুস্তাফিজুর রহমানকে সবচেয়ে বড় অস্ত্র মনে করছেন মুশফিক।
বাংলাদেশে জাতীয় ক্রিকেট দলের এই নির্ভরেযোগ্য ব্যাটসম্যান মনে করেন, মুস্তাফিজকে খেলতে সমস্যা হবে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের। কাটার মাস্টারকে খুব বেশি খেলার অভিজ্ঞতা নেই অনভিজ্ঞ এই লঙ্কান দলটির। মুশফিক বলেন, ‘মুস্তাফিজের ফিরে আসাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর এই কারণেই সিরিজে এগিয়ে থাকব আমরা।’
মুস্তাফিজকে খেলাটা লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের জন্য দুরূহ হবে বলেও মনে করছেন মুশফিক। তিনি আরো বলেন, ‘মুস্তাফিজ এমন একজন বোলার যে আপনাকে সহজে রান নিতে দেবে না। শ্রীলঙ্কার অনেক ব্যাটসম্যান এবারই প্রথম তাকে মোকাবিলা করবে এটাও আমাদের এগিয়ে রাখবে। কারণ এর আগেও দেখা গেছে প্রথমবার তাকে খেলাটা কতটা কষ্টের।’
আগামীকাল থেকে গলে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার প্রথম টেস্ট। এই গলেই ২০১৩ সালে ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম। সেই ইনিংসের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মুশি বলেন, ‘দলের জন্য কিছু করতে পারলে ভালো লাগে।’ দ্রুতই বাস্তবে ফিরে এসে মুশফিক বলেন, ‘এটা নতুন টেস্ট হেরাথ বাদে শ্রীলঙ্কা দলের প্রায় সবাই নতুন। তবে নতুনরা প্রতিভাবান। তাদের বিপক্ষে ভালো করতে হলে আমাদের সেরাটাই দিতে হবে।’
গলে শুরু হতে যাওয়া টেস্টে উইকেটের পেছনে দাঁড়াবেন না মুশফিকুর রহিম। স্টাম্পের পেছনে দস্তানা জোড়া সামলাবেন লিটন দাস। নতুন এই ভূমিকাকে স্বাগতই জানালেন মুশি। তিনি বলেন, ‘এটা টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত। আমি এটা মেনে নিয়েছি। পূর্বের চেয়েও বেশি ব্যাটিংয়েই মনোযোগ দিতে হবে আমাকে। আর ব্যাটিং পজিশনেও খানিকটা ওপরে উঠে খেলতে হবে।’