মোহাম্মদপুর থানার ওসিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

চাঁদাবাজির অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামালউদ্দিন মীরসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম খোরশেদ আলমের আদালতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কুতুব উদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে ৪৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলাটি করেন। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে দুপুরে মামলা খারিজের আদেশ দেন।
আদেশে বিচারক বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় অভিযোগের সত্যতা না থাকায় মামলা খারিজের আদেশ দেওয়া হলো।
ওসি ছাড়াও মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. রাজীব, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. খোরশেদ, মো. মামুন হোসেন ও মো. সোহেলের নামে মামলা করা হয়েছিল।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, বাদী কুতুব উদ্দিন তাঁর মায়ের বাড়িতে ৫০ বছর ধরে বসবাস করতেন। বসবাসরত অবস্থায় ২০০৮ সালের ৮ মার্চ বাদীকে তাঁর মা জমি লিখে দেন। বাদী তা বুঝে পাওয়ার পর বাড়ির অষ্টম তলা সংস্কারের জন্য অন্য বাসায় ভাড়া থাকতে শুরু করেন। বাড়ির সংস্কারকাজ শেষ হলে বাদী তাঁর মালামাল নিয়ে ৯ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টায় বাড়িতে প্রবেশ করতে চাইলে আসামি মো. মামুন হোসেন ও মো. সোহেল বাধা দেন।
বাধাদানকারীরা বাদীকে বলেন, মোহাম্মদপুর থানার ওসির সঙ্গে কথা না বলে তাঁকে ওই বাড়িতে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। পরে ওসির মোবাইলে আসামিরা ফোন দিলে উপপরিদর্শক (এসআই) রাজীব ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. খোরশেদ হাজির হন। বাদীকে তাঁরা কথা আছে বলে বাসার নিচের গ্যারেজের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে ডেকে নেন। বাদীর কাছে ৪৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। বাদী তা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা তাঁকে মারধর করে এবং বাদীকে পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে হুমকি দেয়। এর পর ওই দিন রাত ৮টায় বাদী ওসির কাছে দুই লাখ টাকা দেন।